ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬ , ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চীনের দালিয়ান থেকে বুলেট ট্রেনে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনব: শিক্ষামন্ত্রী শিগগিরই জামায়াতের পতন হবে : রাশেদ প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর, গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয় আমি না থাকলে ইসরায়েল চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে যেত: ট্রাম্প ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনায় নতুন মোড়, ভ্যান্সের সুইজারল্যান্ড সফর স্থগিত রেমিট্যান্সে সুবাতাস, ১৭ দিনে এলো ১৮২ কোটি ডলার সিলেটে পৌঁছে সড়কপথে মৌলভীবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী গ্যালারিতে বসে ছেলের খেলা দেখছিলেন জিনেদিন জিদান গণমাধ্যম কমিশন হবে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান : তথ্যমন্ত্রী তুরস্ককে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রেলিয়ার শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ ১০ অঞ্চলের নদীবন্দরে এক নম্বর সংকেত বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমছে কেন জিতলেও ব্রাজিল, হারলেও ব্রাজিল: বুবলী বিরোধী দলের প্রধান কাজ দেশকে অশান্ত করা : প্রধানমন্ত্রী হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩২৩ হাজি সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী বিএসএফের গুলিতে সীমান্তে আবারো বাংলাদেশি নিহত দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

ট্রাম্প-নেতানিয়াহু ডিল: যেভাবে ইরানে হামলা চালাতে রাজি হলো যুক্তরাষ্ট্র

  • আপলোড সময় : ২৩-০৬-২০২৫ ০৫:২১:২১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৩-০৬-২০২৫ ০৫:২১:২১ অপরাহ্ন
ট্রাম্প-নেতানিয়াহু ডিল: যেভাবে ইরানে হামলা চালাতে রাজি হলো যুক্তরাষ্ট্র
শুরুতে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলছিল সীমিত পরিসরের হামলা-পাল্টা হামলা। কিন্তু হঠাৎ করেই পরিস্থিতির মোড় ঘুরে যায়— যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি হামলা চালায় ইরানের তিনটি পারমাণবিক কেন্দ্রে। আর তাতেই যুদ্ধের পুরো ছক পাল্টে যায়।

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে, কীভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এই হামলার জন্য রাজি করালেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু?

টাইম ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বড় অর্জন হলো ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পৃক্ত করা।

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই জোট গঠনের সূচনা হয় ৪ ফেব্রুয়ারি, হোয়াইট হাউজে নেতানিয়াহু ও ট্রাম্পের এক বৈঠকে। বৈঠকে নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে স্মরণ করিয়ে দেন, ইরান এক সময় ট্রাম্পকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল। এরপর তিনি একটি স্লাইডে তুলে ধরেন, কীভাবে ইরান দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

নেতানিয়াহুর বক্তব্য ছিল স্পষ্ট— আপনার (ট্রাম্পের) মেয়াদে ইরানকে পারমাণবিক শক্তিধর হতে দেওয়া যাবে না।

এই বার্তায় ট্রাম্প কিছুটা প্রভাবিত হলেও তখনই হামলার অনুমোদন দেননি। বরং কূটনৈতিক পথ অনুসন্ধানে আগ্রহ দেখান এবং আলোচনার জন্য তার পুরোনো বন্ধু ও ব্যবসায়ী স্টিভ উইটকফ-কে নিয়োগ দেন।

নেতানিয়াহু সম্মত হন ৬০ দিনের সময় দেওয়ার জন্য। কিন্তু সেই সময় শেষ হওয়ার পরও যখন তেহরান কোনো চুক্তিতে পৌঁছায়নি, তখন ট্রাম্প বুঝে যান— আলোচনার পথ বন্ধ।

৩১ মে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা আইএইএ জানায়, ইরান গোপনে পারমাণবিক উপকরণ তৈরি করছে। এর পরপরই ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোপন গোয়েন্দা তথ্য ভাগ করে, দাবি করে— ইরান শুধু সময়ক্ষেপণ করছে।

তবে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা তখনও নিশ্চিত ছিল না। মার্চে গোয়েন্দা প্রধান তুলসি গ্যাবার্ড কংগ্রেসে বলেন, ইরান এখনও বোমা তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়নি।

এরপর ৬০ দিনের আল্টিমেটাম শেষ হতেই ইসরায়েল জানায়, তারা হামলা চালাবে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান প্রতিশোধ নেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ এই সংঘাতকে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের আশঙ্কায় পরিণত করেছে।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চীনের দালিয়ান থেকে বুলেট ট্রেনে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী

চীনের দালিয়ান থেকে বুলেট ট্রেনে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী